"মায়ের আশীর্বাদে, সবার সহযোগিতায়" — প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ঐতিহ্যের ধারক
আমাদের পরিচয়
বিগত ২৫ বছর ধরে শ্রীশ্রী মঙ্গলচণ্ডী যুব সংঘ ছোট-বড় সকল বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ভালোবাসায় গড়ে ওঠা একটি অনবদ্য সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। মূলত ধর্মীয় চেতনা ও ঐতিহ্য বজায় রেখে পথচলা শুরু হলেও, আমাদের লক্ষ্য শুধু পূজা উদযাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সংস্কৃতি চর্চা, জনকল্যাণমুখী সমাজসেবা এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সেবার হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য।
আমরা বিশ্বাস করি—ধর্মের মূল সুরই হলো মানবতা, আর পরম স্রষ্টার অনন্য সৃষ্টি মানুষকে ভালোবাসার মধ্য দিয়েই তাঁকে স্মরণ করা যায়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সকল মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সবার মাঝে ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক চেতনা জাগিয়ে রাখাই আমাদের মূল প্রেরণা। উৎসবের প্রতিটি ধাপে—প্রতিমা তৈরি থেকে শুরু করে মণ্ডপ সজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রসাদ বিতরণ ও বিসর্জন পর্যন্ত—সংঘের ছোট-বড় সকল সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আমাদের সাফল্য। পরমেশ্বরের আশীর্বাদ এবং সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসাই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি।
তাদের ভাষায়
ষষ্ঠী থেকে দশমী — প্রতিদিনের পূজা, আরতি ও অঞ্জলির সময়সূচী এখানে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
সম্পূর্ণ সময়সূচী দেখুন →বিগত বছরগুলোর পূজা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিসর্জনের সুন্দর মুহূর্তগুলো ছবিতে দেখুন।
ছবি দেখুন →সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, প্রতিযোগিতা ও বিশেষ অনুষ্ঠানের তারিখ ও বিস্তারিত তথ্য জানুন।
সকল ইভেন্ট →দেবী দুর্গা ও পরিবারের পৌরাণিক কাহিনি এবং আমাদের পূজার ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।
ইতিহাস পড়ুন →আমাদের টিম
পৌরাণিক ঐতিহ্য
আমাদের মণ্ডপে দুর্গাপূজার পাশাপাশি দেবী মঙ্গলচণ্ডীরও বিশেষ আরাধনা করা হয়, যিনি মঙ্গল ও কল্যাণের দেবী রূপে পূজিত। দুর্গাপূজায় দেবী দুর্গার সাথে তাঁর চার সন্তান — গণেশ, কার্তিক, লক্ষ্মী ও সরস্বতী — এবং সিংহ ও মহিষাসুরের প্রতিমাও একত্রে পূজিত হন। নিচে প্রতিটি দেব-দেবীর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেওয়া হলো।
দশভুজা দেবী দুর্গা শক্তি, সাহস ও অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতীক। তিনি মহিষাসুর নামক অসুরকে বধ করে সৃষ্টিকে রক্ষা করেছিলেন বলে পুরাণে বর্ণিত আছে। শরৎকালে তাঁর আগমন ও পূজাকে বলা হয় শারদীয় দুর্গোৎসব।
মঙ্গলচণ্ডী দেবী গৃহস্থের কল্যাণ, সন্তানের মঙ্গল ও সংসারের সুখ-সমৃদ্ধির দেবী হিসেবে পূজিত হন। বাংলার লোকসংস্কৃতিতে তাঁর মাহাত্ম্য বিশেষভাবে প্রচলিত, এবং আমাদের সংগঠনের নামকরণও তাঁরই আশীর্বাদকে স্মরণ করে করা হয়েছে।
দেবী দুর্গার দুই পুত্র গণেশ বিঘ্ননাশক ও বুদ্ধির দেবতা, আর কার্তিক শৌর্য-বীর্যের দেবতা হিসেবে পরিচিত। যেকোনো শুভ কাজের শুরুতে গণেশের পূজা করার রীতি প্রচলিত।
দেবী দুর্গার দুই কন্যা লক্ষ্মী ধন-সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবী, এবং সরস্বতী বিদ্যা ও জ্ঞানের দেবী। দুর্গাপূজার মণ্ডপে তাঁদের উপস্থিতি পরিবার ও সমাজের সার্বিক কল্যাণের প্রতীক বহন করে।